Tuesday, July 8, 2008

একটা গোলাপী রং দেয়াল

হঠাত আলো পার করে বেডরুম অন্ধকার
যেন
সাজানো হতেই তেলাপোকা ; তেলতেলে মেঝে ধরে হাঁটে
দৌড়ায় মসৃনতায় শব্দহীন ; নিশব্দ

একটা গোলাপী রং দেয়াল

তা

অবিকল বেদনায় কাতর হতেছে যে জীবনানন্দ

জীবন ও আনন্দ, একাকার কিচেন থেকে পড়ার টেবিল অবধি
হুট হাট
সেই একাকী চেয়ার
ডাইনিং আড্ডায়

বৃষ্টির ছাট ঘরের বারান্দায়; এক হাঁটু ডুবে যাওয়া
কিংবা আরো বেশি

ভয় ; নির্ভয় সাক্ষাতে

নির্ভয়ে পার করি রাত; নিদ্রাহীন রাত
সুবিনয়ে প্রশস্তিতে
যতটা
সুবহে সাদিক ধীরে ধীরে; খুব কাছে
ক্ষয় হতে থকে যে সময় তার
আরো কাছে
বিষন্ন গলির মুখে তাঁর দাড়িয়ে থাকা

একাকী ভাবছে অনেক কথকতা; শ্রবণেন্দ্রিয় প্রবল হতেছে
নিশ্চুপ ব্যাথায়

টুপ করে পড়ে; ঝরে পড়ে দু'ফোটাঁ....

দাড়িয়ে থাকে একাকী এক সংশপ্তক

নির্লোভ সাগরপাড় জুড়ে শুরু হবে ক্রন্দন....

মনন এর ভেতর অন্তর্ঘাত হতে থাকে ক্রমশ
যে সরল রেখা

তার ভেতর হতে নেমে আসা লাভায়

বালুময় মেঝে, থেমে থেমে থমথমে
দুঃসহ
স্পন্দনে দিন গোনে

একটা লম্বা লোমশ হাত

ছেদ করে যায়
গলিত মাংস

মেলানিন কমে আসা ত্বকে

কিংবা ক্ষয়ে ক্ষয়ে

Yet, when the silence comes
all that I have is you.

রোজ রোজ ঘেমে যাওয়া বিছানায়
নোনা হয়ে আসে
শ্রাবণ রাত্রি ; ভয়ার্ত স্বপ্ন দেখা শেষে

দুরু দুরু বুকে অনেকটা পথ পাড়ি দিতে হবে
জেনেই

দাড়িয়ে থাকে একাকী এক সংশপ্তক -

একটি হৃদপিন্ডে ডানা মেলতেছে

: The heart is wiser than the intellect

মনের কথা কিভাবে বলি যতবার মননে ছিন্ন হতেছে
নিউরন ; গনহত্যা

কোমল হয়ে পড়া হৃদপিন্ড জুড়ে তাপদাহ

আম আম কেবিনেট হতে গলে পড়তেছে
শুদ্ধতম শব্দ ; ম্যাসাকার হতে হতে
আম একটি ফলের নাম কিংবা সাধারণ কিছু মস্তিষ্ক জোড়া লাগতেছে
ক্ষুধাহীন বিকেলে
পুরোনো বইয়ে গন্ধে ঘরভর্তি অন্ধকার
ধোঁয়া ; ছোঁয়া

লাল রং - সাদা রং মিলে একটি কঙ্কাল
তবুও
মননশীলতাকে বাদ দিয়ে কী বলি রসালো রন্ধনশালা
রাঁধছে মাংসল হাত, পা
হতোদ্যম রক্তে ; সঞ্চালনে মনে পড়ে

আমি কিছুই চাই না,

সেও

একটি হৃদপিন্ডে হয়ত ডানা মেলতেছে কোথাও

টাঙ্গানো ছবিটায়

দেয়াল থেকে খসে পড়ে পলেস্তারা ; আস্তরন
আস্তে আস্তে বালি হয়
ঘরময়
ছুটোছুটি

সিমেন্টগুলো ফ্যাকাশে হতেই রং বদলায় পেইন্টারের ব্রাশজুড়ে
বদলানো গ্লামার যতই ছড়ায়
হাফ ছেড়ে অবলুপ্তির কথকতায়

বলতে হয় এবার
তোমার বুকে উঠে আসবে
আকরিক শয্যা; সজ্জা

নাকি

বাধবো শিকল খন্ডচিত্রে

অপলক চোখে কান্না মেশে

টাঙ্গানো ছবিটায় তিনি হাসেন, মৃদু হাসেন
অথবা
দিচ্ছেন সান্ত্বনা

সন্ধ্যা ঘনাতেই
পার হয়ে যায় বৃহস্পতি; বৃহস্পতিবার
কিংবা রবিবার

যে কোন একটি মিনারেল ওয়াটার জুড়ে তৃষ্ণা লেগে থাকে
বদলায় বেডশীট ; দিন বদল

হাহাকার ছেড়ে স্বপ্ন দেখি সহসাই কলমী লতা ডানা মেলে
চোখে চোখে
অনিশ্চয়তায়

ভয়ে ; ভয়ে ক্ষয় বাড়ে এবং ক্ষয়ে ভয়

পিঠে পিঠ লেগে যায় ... চাদর বদলায় পাশ

কষেরুকা কী কথা বলে

মেঘের ওপারে তারা সব; একজন জ্যোতিষী বলে গেলেন
তালগাছটা শুধুই আমার

আমি নিশ্চিত, দিনের আলোয় শুধূই সূর্যগ্রহন হতেই পারে কিংবা
চাঁদ-তারা গল্পকথা

তাই হন্যে হয়ে রুপকথা ; ঠাকুরমার ঝুলি

যদিও তিনি আমার মঙ্গল করবেন না কিংবা কখনো করেননি তাতো নয়

বড্ড অপয়া জানতেই এফ এম জুড়ে বন্দনা
এমন
একটা ধোঁয়াশায় গোলটেবিল বসানো হতেই সপ্তডিঙ্গায়

সবাই দাড় বায়; কেউই সাঁতার জানে না

সিরাম ক্যালসিয়াম এবঙ সিরাম ফসফেট, অথচ হাতরে বেড়াই
বাক্স পেটরা

অনেকগুলো হাড় একসাথে জুড়ে গিয়ে দাড়াতাম

অষ্টিওপরেসিস যন্ত্রনায় কাতঁর ষ্টেইনলেস ষ্টীল
খুলে পড়ে গেলে
এক গ্লাস দুধের রসায়নের বিচারে ভাবছি

কাল রাতে কতগুলো তারা ছিল আকাশে

মধ্যমায় কতটা প্রশান্তি নিয়ে পার করে বছরের শেষ দিন

এবং

কষেরুকা কী কথা বলে

একটি কালো রং জমা হলে

একটি কালো রং জমা হলে অনেক প্রশ্ন

হলুদ গন্ধে মাতোয়ারা; অথচ ধীরে ধীরে

দরজা খোলে

রংধনু ছিলো তাহার কাছে ; তার কাছে

মিশ্র হতেই রাত জাগা পাখি পিপাসার্ত হতে
হতে

বুনন খোলে জানালার ; পর্দার

বুনোটে বুনোটে আলগা হওয়া পুরোনো পাতা
খসতেই

ছুঁয়ে নেই শিশির

তবু ও অভিপ্রায় নিষ্ফল জেনে তারা আসে ; ইজেলে
অনেক ডাক ; অনেক আঁকি-বুকি

কথা ছিলো তুমি আর আমি কিংবা তিনি এবং তিনি একবার শুধু
ছুঁয়ে নেবো পাটনার জল

হমম হমম ! না দূর চিরন্তনে অনেক না জানা শব্দ

কঠিনতর

তবু্ও
আজ ডাকবাক্স খোলা হতেই নিভু নিভু আলো; নিয়ে গেল চাবি

যেমনটা
হঠাত পতনে পতনে প্রকোষ্ঠ ছিন্ন করে ফেলা; একটি শুধু লাল রং
একটি ধূসর স্পন্দনে সে তাকায় ; কিছু বলে
বলে না অনেক কিছু ; যদি জানতো
কিংবা তিনি

ক্ষরণে ক্ষয় ; ক্ষয়িষ্ণু অনুভবে ঝাপসা হয় কর্ণিয়া

ক্লান্তি শুধুই ছাদের দৃষ্টিতে...

পান; হাতের মুঠোয় মৃত্তিকা

ধূসর রং অবশেষে; কোলাহলহীন

বাস্তুচ্যুত প্রাণীর মত

প্রখর রৌদ্রসীমায় আমি ভাবিত হই
শাণিত হই

বাস্তুচ্যূত প্রাণীর মত খুঁজে বেড়াই নীল অনুভূতি
হরদম

হরদম অনেকগুলো স্লাইডিং দরোজা থেমে থেমে যায়
বিনীত চোখে আমি, সেই আমি বিনিদ্র যাপন শেষে উঠে যাই
মৃতপ্রায় সজ্জা হতে

ধীরে ধীরে কশেরুকা সংযোগে স্বাদ বদলায়
এপাশ ওপাশ
পাশ বদলানো অনুভব ক্ষয় হতে দেখি

অনুভবের; তাহার